কালিনারি এক্সপার্ট’ খ্যাত টনি খান বাংলাদেশের অত্যন্ত নামকরা একজন শেফ এবং এই একজন সম্পর্কে আমরা কমবেশি প্রায় সবাই অবগত আছি। বিশ্বজুড়ে তার মিক্সড কুকিং খুবই সমাদৃত এবং এ কারণেই ১৯৯৮ সালে তিনি ‘বিশ্বের প্রধান ১০ শেফ’ এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন। ১৯৯২ সালে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ পাপুয়া নিউগিনিতে ‘বছরের সেরা কুলিনারি এক্সপার্ট’ এর খেতাবও অর্জন করেন তিনি।
টনি খান ১৯৮৯ সালে মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার নুনাওডাং-এ রেস্টুরেন্টে পূর্ণকালীন চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। তিনি বাংলাদেশ শেফ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোক্তা ও প্রেসিডেন্ট। শেফ অ্যাসোসিয়েশন অফ পাকিস্তানেরও একজন সদস্য তিনি। সিঙ্গাপুরে বিভিন্ন পাঁচ তারকা হোটেলে চাকরি করে ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশে ফেরত আসেন এবং ‘রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে’ এক্সিকিউটিভ শেফ হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। ২০০৯ সালে তিনি ‘দ্য ওয়েস্টিন’ হোটেলে যোগদান করেন তারপর তিনি শ্রীমঙ্গলের ‘গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্টে’ কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি, ২০১৫ সাল থেকে তিনি নিজের নামে ধানমণ্ডি, ঢাকা তে টনি খান কুলিনারি ইন্সিটিউট এন্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইন্সিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। টনি খান কুলিনারি ইন্সিটিউট এন্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট এ নবাগত শেফদের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক মানের ৩ মাস, ৬মাস, ও ১ বছর মেয়াদী কোর্সে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন এবং প্রশিক্ষন শেষে ছাত্রছাত্রীদের ইণ্টারনি ও জব এর ব্যবস্থা করেন । রান্নার বিষয়ে টনি খানের দার্শনিকতা খুব জনপ্রিয়, তিনি কেবল স্বাদই নয় বরং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন।

Updated: February 19, 2018 — 11:54 am
Tony Khan's Culinary Institute & Hotel Management © 2018 Developed By Pigeon Soft

Pin It on Pinterest